আন্তজাতিক কথা:
ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে নতুন এবং অত্যাধুনিক ড্রোন ‘গাজা’ উন্মোচন করেছে। এটি ইরানের তৈরি ড্রোনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং উন্নত। দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পে এটি একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।বিশেষ বৈশিষ্ট্য ইরানের সামরিক বাহিনীর মতে, ‘গাজা’ ড্রোনটি দীর্ঘ সময় আকাশে থাকতে সক্ষম এবং এটি নজরদারি, আক্রমণ, এবং বিভিন্ন লজিস্টিক মিশনে ব্যবহার করা যাবে। ড্রোনটি ২০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে এবং এটি একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম।
উন্মোচনের পেছনে উদ্দেশ্যইরানের সামরিক কমান্ডাররা জানিয়েছেন, ড্রোনটির নামকরণ করা হয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার প্রতি সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে। গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের অব্যাহত দমননীতি এবং যুদ্ধাপরাধের প্রতিবাদে এটি একটি প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ড্রোন প্রযুক্তিতে প্রতিযোগিতা বাড়িয়েছে। এর মধ্যে ইরান নিজেদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা প্রমাণ করতে ধারাবাহিকভাবে আধুনিক ড্রোন তৈরি করে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নতুন ড্রোন ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে এক নতুন মাত্রায় উন্নীত করবে। আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ড্রোনটির উন্মোচন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পশ্চিমা দেশগুলো এটিকে ইরানের সামরিক আগ্রাসনের অংশ হিসেবে দেখলেও ইরান দাবি করেছে, এটি প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য তৈরি। শেষ কথা ইরানের নতুন ড্রোন ‘গাজা’ সামরিক ক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এটি কেবল ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পকে এগিয়ে নেবে না, বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠবে



