বিশেষ প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সাবেক প্রধান সহকারী হারুন অর রশিদ ও জাহিদুল হক। এদের মধ্যে হারুনের অবসরের মেয়াদ ৮ বছর ৯ মাস এবং জাহিদুলের ২ বছর ১০ মাস শেষ হয়েছে। তবে অবসরের মেয়াদ শেষ হলেও এখনো কোন এক অদৃশ্য শক্তির মাধ্যমে কার্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তারা। অবসরের এত বছর পরও নিয়মিত অফিস করার ঘটনাকে অদৃশ্য শক্তির ছায়া হিসেবে দেখছেন স্থানীয় লোকজন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হারুন অর রশিদ ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি ও জাহিদুল হক ২০২২ সালের ১৫ ডিসেম্বর অবসরে (পিআরএল) যান। এরপরও নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন তারা। আগের স্থানেই চেয়ার-টেবিল ব্যবহার করছেন। সাবেক প্রধান সহকারী জাহিদুল হক গরিবের বন্ধু রবিন হুডের মত বলেন, আমি কোনো বেতন-ভাতা নিই না। শুধুমাত্র সহযোগিতা করার জন্যই অফিসে আসা-যাওয়া করি। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) লক্ষ্মীপুর জেলা সভাপতি কামাল হোসেন বলেন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। এর মাধ্যমে লুটপাট, অরাজকতা হচ্ছে। অবসরে যাওয়ার পরেও কর্মকর্তারা কিভাবে অফিসে করেন, তা জবাবদিহিতার আওতায় আসা দরকার। তারা স্বাস্থ্যবিভাগকে জিম্মি করে লুটপাটের সঙ্গে জড়িত কিনা?
লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন আবু হাসান শাহীন বলেন, অফিসে লোকবল কম থাকার কারণে অবসরের পরও দুইজন কর্মকর্তা অফিস করেন। মূলত তারা অফিসিয়ালভাবে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পান না। সদর হাসপাতালের থেকে আমার অফিসের লোকবল কম, তাই রুনা আক্তার এখানেই কাজ করছেন।



