বলা হয়ে থাকে- ‘তুমি যখন একটি ভালো মানের পরিকল্পনা করো তখনই তোমার কাজ অর্ধেক হয়ে যায়।’ পরিকল্পনা হচ্ছে ভবিষ্যতে পালনীয় কর্মপন্থার মানসিক প্রতিচ্ছবি, যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সময়ের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা সঠিক পরিকল্পনা যেমন ব্যক্তির মান উন্নয়ন, সম্প্রসারণ, অনিশ্চয়তা দূরীকরণ, ভারসাম্য রক্ষা, কাজের গতিশীলতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে, তেমনি ভুল বা ভারসাম্যহীন পরিকল্পনা লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের পথে বাধার সৃষ্টি করে। এ জন্য সঠিক কর্মকৌশল ও কর্মপন্থা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।নতুন বছরে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের মতো একজন সচেতন মানুষ হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা কর্তব্য। আমার দৃষ্টিতে একটি আদর্শ বার্ষিক পরিকল্পনার কিছু নমুনা তুলে ধরলাম-
ইসলামময় জীবন গড়া :
নতুন বছরে মুমিনের প্রধান পরিকল্পনা হওয়া উচিত ইসলামময় জীবন গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার। মানবজাতির সাফল্য লাভের অন্যতম উপায় হচ্ছে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর আনুগত্য করা এবং জীবনের সব ক্ষেত্রে কোরআন-হাদিসকে মেনে নেওয়া।
মহান আল্লাহ বলেন, ‘বলে দাও! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো এবং রাসুলের আনুগত্য করো। অতঃপর যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তাহলে তার ওপর অর্পিত দায়িত্বের জন্য সে দায়ী এবং তোমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্বের জন্য তোমরা দায়ী। আর তোমরা তাঁর আনুগত্য করলে সৎপথ পাবে, রাসুলের কর্তব্য হচ্ছে শুধু স্পষ্টভাবে পৌঁছে দেওয়া।’ (সুরা : নূর, আয়াত : ৫৪)
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আনুগত্য করলে আল্লাহরই আনুগত্য করা হয়। যেমন- মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে কেউ রাসুলের আনুগত্য করে থাকে, নিশ্চয়ই সে আল্লাহরই আনুগত্য করে থাকে। ’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৮০)। জীবনের সব ধরনের আমল কোরআন-হাদিস মোতাবেক হতে হবে। এর মধ্যেই মানবতার সার্বিক সফলতা নিহিত আছে।
ব্যক্তিগত অধ্যয়ন :
কোরআনের তাফসির, হাদিস, ফিকহসহ ইসলামী সাহিত্য এবং অন্য বিখ্যাত সাহিত্যগ্রন্থ অধ্যয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা। কোরআনকে বোঝার জন্য কোরআনিক ল্যাঙ্গুয়েজ (ভাষা) কোর্স সরাসরি বা অনলাইনে সম্পন্ন করা যেতে পারে।



